মানবসেবার অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রেজাউল করিম মাষ্টার

নিজস্ব সংবাদাদাতা ॥
মানবসেবার অনন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মীরসরাইয়ের জোরারগঞ্জের আওয়ামীলীগ নেতা রেজাউল করিম মাষ্টার। কন্যা দায়গ্রস্থ পিতাকে আর্থিক সহযোগিতা, চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিতদের চিকিৎসা সেবা প্রদান, প্রতিবন্ধী ও অটিষ্টিক শিশুদের শিক্ষার সুযোগ ও কর্মসংস্থানের জন্য আর্থিক পূঁজি দিয়ে দোকানঘর নির্মাণ, অসহায় পরিবারদের জন্য গৃহ নির্মাণ, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেয়া, মন্দির, মসজিদ, মক্তব নির্মাণে সহায়তা, বয়স্ক, বিধবা ও অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করাসহ ব্যতিক্রমী উদ্যোগের মাধ্যমে নানাবিধ কল্যাণকর কাজ করে চলেছেন জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম মাষ্টার। প্রতিদিন ব্যক্তিগতভাবে এবং মকবুল আহম্মদ কল্যাণ পরিষদের মাধ্যমে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন এই আওয়ামীলীগ নেতা। ঠিকাদারী ব্যবসার লভ্যাংশের ৩ ভাগের ১ ভাগ তিনি ট্রাস্টে জমা দেন। এই ট্রাস্টের মাধ্যমে বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে মানবসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন। পিতা মরহুম মকবুল আহমদ। পিতার নামে ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠা করেন মকবুল আহমদ কল্যাণ পরিষদ নামে একটি ট্রাস্ট। যা সরকারী ভাবে রেজিষ্ট্রেশন পায় ২০১৯ সালে (রেজিঃ নং: ৩১৯১)। মানব সেবায় যারা জড়িত তাদের সবার মাঝে এ কাজের প্রতি উদ্বুদ্ধকারী হিসেবে যে শক্তি কাজ করে, সেটা হচ্ছে মানুষের মানবতাবোধ। যার মাঝে মানবতাবোধ আছে সেই মানবসেবার কাজে এগিয়ে আসবেই। প্রাণঘাতী মহামারি করোনায় এ মানবতাবোধের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছিল সবচেয়ে বেশি। করোনাকলীন সময়ে ৩ নং জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের ৯টি ওর্য়াডে প্রায় ৫ হাজার মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন। সব সময় দাাঁড়িয়েছেন প্রতিবন্ধি, দুঃস্থ, অসহায় মানুষের পাশে। ২০০৪ সাল থেকে অদ্যবদি পর্যন্ত এই মকবুল আহম্মদ কল্যাণ পরিষদ থেকে তিনি প্রায় ১০ হাজার অসহায় দুঃস্থ মানুষকে আর্থিক সহায়তা করে আসছেন।

২০২০ সালে মহামারি করোনা কালীন সময়ে তিনি জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে প্রায় ৫ হাজার অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি বর্তমানে প্রতি শনিবার মকবুল আহম্মদ কল্যাণ পরিষদ থেকে গরিবের মেয়ের বিয়ে, প্রতিবন্ধী, অটিস্টিক, মুক্তিযোদ্ধা, বিধবা, বয়স্ক, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষদের মাঝে আর্থিক সহায়তা দিয়ে থাকেন। এছাড়া ব্যক্তিগতভাবে রাত দিন অসহায় মানুষের আর্থিক সহযোগিতাসহ নানাভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। মানব সেবার দিক থেকে করিম মাষ্টারের জনপ্রিয়তা সবার চেয়ে এগিয়ে। অসহায় মানুষের আশার প্রদীপ হয়ে করিম মাষ্টার জনকল্যাণে নিজেকে উজাড় করে দিচ্ছেন।


মানবসেবার বিষয়ে জানতে চাইলে মকবুল আহম্মদ কল্যাণ পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল কমির মাষ্টার বলেন; “স্কাউটের জনক বলেছিলেন,‘তুমি তোমার পৃথিবীকে যেমন পেয়েছো তার চেয়ে একটু উন্নত করে রাখার চেষ্টা করো।’ আসলে সমাজে যারা উঁচু শ্রেণীতে আছেন তারা যদি প্রত্যেকে প্রত্যেকের জাযগা থেকে নিজের চারপাশের মানুয়ের সেবায় এগিয়ে আসে তাহলে অবশ্য ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের দায়ী করতে পারবে না। এছাড়াও মানুষকে ভালোবাসা, সুখে-দুখে, বিপদে-আপদে মানুষের পাশে থেকে অসহায় মানুষের ক্ষুধার অন্ন ও কর্মের সংস্থান করার মাঝে যে আনন্দ, তৃপ্তি ও মানসিক শান্তির পরিপূর্ণতা পাওয়া যায় তা পার্থিব জগতের সকল সুখভোগ ও বিলাসকে নিমিষেই হার মানিয়ে দেয়। এই মহৎ কাজে এগিয়ে যাওয়ার পেছনে সবসময় ছায়া হয়ে অনুপ্রেরণা, আত্মবিশ্বাস ও শক্তি জুগিয়েছেন আমাদের রাজনৈতিক অভিভাবক, চট্টলার সিংহপুরুষ, সাবেক সফল মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি। তিনি আরো বলেন; আমরা সচরাচর জানি একটি মাটির প্রদীপ জ্বালানোর জন্য প্রদীপ, সলতে, তেল ও আগুনের প্রয়োজন হয় কিন্তু আমরা এটা জানি না যে ঐ প্রদীপকে দীর্ঘ সময় ধরে জ¦ালিয়ে রাখার জন্য একটি কাঠি ও একজন মানুষের প্রয়োজন হয়। আমার কাছে সেই মানুষগুলো হলো আমার রাজনৈতিক গুরু ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি এবং তাঁর পুত্র বিশিষ্ট আইটি বিশেষজ্ঞ মাহবুব রহমান রুহেল। উনাদের সান্নিধ্য না পেলে আমার পথচলা অনেক আগেই থমকে যেত। আমি আজীবন মানুষের কল্যাণে সেবা করে যাবো।